Dhaka, Monday | 12 October 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 12 October 2026 | English
শিরোনাম:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ৩০ শতাংশ রোগী সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত

প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০২ পিএম  (ভিজিটর : ৯)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সর্দি, জ্বর, কাশি ও গলাব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গে ভুগছেন অনেক মানুষ। 

আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিশু থেকে বয়স্কদের মধ্যে এসব উপসর্গ দেখা দেওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। পরিবারের একজন অসুস্থ হলে অন্যদের মধ্যেও সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার  নিলয় দাস জানান, প্রতিদিন ইনডোর ও আউটডোর মিলিয়ে গড়ে প্রায় ৫০০ রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। বর্তমানে মোট রোগীর প্রায় ৩০ শতাংশ সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকের প্রথমে হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া ও গলাব্যথা দেখা দিচ্ছে। পরে জ্বর, কাশি, মাথাব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা যুক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের অসুস্থতা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা বেশি উদ্বিগ্ন।

নবাবগঞ্জ উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহানাজ পারভীন বলেন, “কয়েক দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের সর্দি-কাশি ও জ্বর দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে বেশি চিন্তা হচ্ছে। জ্বর হলে তারা স্বাভাবিকভাবে খেতে চায় না।”

বিনোদনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, “আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় এ ধরনের অসুস্থতা দেখা যায়। এ সময় সবাইকে খাবারের মান, পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন।”

চিকিৎসকের পরামর্শ ও সতর্কতা জরুরি
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সাব্বির হোসেন বলেন, “সর্দি-জ্বরের উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, তরল খাবার গ্রহণ ও পরিষ্কার - পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে কিংবা শ্বাসকষ্টসহ জটিল উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা উচিত নয়।”

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের মতে, মৌসুমি অসুস্থতা মোকাবিলায় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, অসুস্থ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ও নাক ঢেকে রাখা এবং অসুস্থ অবস্থায় অন্যদের সংস্পর্শে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

নবাবগঞ্জের সচেতন মহলের প্রত্যাশা, সর্দি-জ্বরের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে। সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ ও সচেতনতার মাধ্যমেই মৌসুমি অসুস্থতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

এফপি/মিব


সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝