ভারতের কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার দুই বাংলাদেশির মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে ফিরেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে আনা হয়। তবে নিহত রেবতি সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকার করা হয়েছে।
নিহত আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুস সরদারের ছেলে। রেবতি সরকার (৩৭) একই উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী।
গত ১৯ আগস্ট বুধবার কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার সাতজন নাগরিক নিহত হন। তাঁদের মধ্যে দুজনের বাড়ি সাতক্ষীরায়।
নিহতরা চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন। কলকাতার ওই হোটেলে অবস্থানকালে রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাঁরা মারা যান। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুই দিনের মধ্যে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শনিবার দুপুরে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে পৌঁছায়। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভোমরা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, দুপুর ১২টার পর সাজুর মরদেহ গ্রহণ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অন্যদিকে রেবতি সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, রেবতির ছেলে-মেয়ে ভারতে অবস্থান করায় তাঁর মরদেহ সেখানেই সৎকার করা হয়েছে।
সাজুর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে তাঁর পরিবার।
এফপি/ফ