Dhaka, Saturday | 22 August 2026
         
English Edition
   
Epaper | Saturday | 22 August 2026 | English
শিরোনাম:

এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ

প্রকাশ: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ পিএম  (ভিজিটর : ৯)

অবশেষে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে স্বস্তির খবর মিলেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন একটি এলএনজিবাহী জাহাজ পৌঁছেছে। এতে মহেশখালীতে থাকা দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ‘ফ্লেক্স কারেজেস’ নামের এলএনজিবাহী জাহাজটি মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে ভেড়ে। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজি নিয়ে জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামেরন বন্দর থেকে এসেছে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নতুন আসা এলএনজি টার্মিনালে যুক্ত হওয়ার পর এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ আরো বাড়বে।

এতে সাময়িকভাবে এলএনজি-সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে নতুন জাহাজ থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ার আগেই শনিবার দুপুর থেকে এক্সিলারেটের টার্মিনাল দিয়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। টার্মিনালে আগে মজুদ থাকা এলএনজি ব্যবহার করে এই সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।

এতে দুপুর থেকেই দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি দেখা দেয়। মহেশখালীর পাশের সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকেও প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে দুটি টার্মিনাল থেকে প্রায় ৬৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।

আরপিজিসিএলের এলএনজি বিভাগের এক উপমহাব্যবস্থাপকের পদমর্যাদার কর্মকর্তা বলেন, দুটি টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পেতে রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে শনিবার রাতেই সরবরাহ বেড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছাতে পারে।

এলএনজি সরবরাহে বড় ধরনের বিপত্তি শুরু হয় গত ২১ এপ্রিল। ওই সময় এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালের বয়লারে আগুন লাগার পর সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর টার্মিনালটি সচল হলেও পরে এলএনজি সংকটে আবারও সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। একই সময়ে এলএনজি সংকটের কারণে সামিটের ভাসমান টার্মিনালও বন্ধ ছিল।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রবিবার থেকে দুটি টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হতে পারে। দুই টার্মিনাল মিলিয়ে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে।

এফপি/ফ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝