চট্টগ্রামের কালুরঘাট ফেরির টোল আদায়ের ইজারা নিতে দ্বিতীয় দফার টেন্ডারে সর্বোচ্চ ৭ কোটি ১ লাখ টাকা দর জমা দিয়েছে আমানত শাহ এন্টারপ্রাইজ। আগামী তিন বছরের জন্য ফেরির ইজারা দিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের আহ্বান করা দরপত্রে চারটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।
দরপত্র যাচাই শেষে দেখা যায়, আমানত শাহ এন্টারপ্রাইজ সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ৭ কোটি ১ লাখ টাকার প্রস্তাব দিয়েছে। এর আগে প্রথম দফার টেন্ডারেও প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ দরদাতা ছিল। তবে তখন তাদের প্রস্তাবিত দর ছিল ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
দ্বিতীয় দফার টেন্ডারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর দিয়েছে টে-নাইট লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবিত দর ৪ কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া মাহফুজ অ্যান্ড ব্রাদার্স ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার দরপত্র জমা দিয়েছে।
অন্যদিকে ইদ্রিস অ্যান্ড সন্স দরপত্রে অংশ নিলেও প্রয়োজনীয় পে-অর্ডার জমা না দেওয়ায় তাদের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দ্বিতীয় দফার টেন্ডারে আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি দর পাওয়া গেছে। গত ২০ আগস্ট সড়ক ও জনপথ বিভাগের রহমতগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে দরপত্র খোলা হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত তিন বছরের জন্য কালুরঘাট ফেরির টোল আদায়ের নতুন ইজারা কার্যকর হবে। প্রথম দফার টেন্ডারে কাঙ্ক্ষিত দর না পাওয়ায় দ্বিতীয়বার দরপত্র আহ্বান করা হয়।
এর আগে ২০২৩ সালে কালুরঘাট ফেরি পরিচালনার জন্য ইজারাদার নির্বাচন করতে একাধিকবার টেন্ডার আহ্বান করতে হয়েছিল। সর্বশেষ ২ কোটি ১৪ লাখ টাকায় আমরিন অ্যান্ড ব্রাদার্স তিন বছরের জন্য ফেরির ইজারা পেয়েছিল।
কালুরঘাট ফেরি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী ও নগরীর দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নতুন ইজারা কার্যকরের পর টোল ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীসেবায় কী ধরনের পরিবর্তন আসে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
এফপি/অ