Dhaka, Monday | 28 September 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 28 September 2026 | English
শিরোনাম:

সেপ্টেম্বরের ‘হার্ভেস্ট মুন’ কখন দেখা যাবে? কেন এই পূর্ণিমা আলাদা?

প্রচলিতভাবে কৃষিকাজের ঋতুর সঙ্গে এর গভীর সংযোগ রয়েছে। অতীতে ফসল ঘরে তোলার সময় এই চাঁদের অতিরিক্ত আলো কৃষকদের অনেক সহায়তা করত।

প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২০ পিএম  (ভিজিটর : ৩৫)
দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থানের ফলে আশপাশের ঘরবাড়ি বা গাছপালার মতো বিভিন্ন পরিচিত বস্তুর সঙ্গে তুলনার কারণে চাঁদকে এ সময় আকারে বড় মনে হয়। ছবি: রয়টার্স

দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থানের ফলে আশপাশের ঘরবাড়ি বা গাছপালার মতো বিভিন্ন পরিচিত বস্তুর সঙ্গে তুলনার কারণে চাঁদকে এ সময় আকারে বড় মনে হয়। ছবি: রয়টার্স

এ সপ্তাহেই আকাশে দেখা যাবে বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় পূর্ণ চাঁদ বা হার্ভেস্ট মুন, যা ঐতিহ্য ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের নানা বৈশিষ্ট্যের কারণে অন্যান্য পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে অনেকটাই আলাদা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট প্রতিবেদনে লিখেছে, পূর্ণ চাঁদ বা ‘হার্ভেস্ট মুন’ শরতের বিষুবকালের সবচেয়ে কাছাকাছি সময়ে আকাশে ওঠার কারণে এই বিশেষ চাঁদটির এমন নামকরণ হয়েছে।

প্রচলিতভাবে কৃষিকাজের ঋতুর সঙ্গে এর গভীর সংযোগ রয়েছে। অতীতে ফসল ঘরে তোলার সময় এই চাঁদের অতিরিক্ত আলো কৃষকদের অনেক সহায়তা করত।

অন্যান্য মাসের চাঁদের আধুনিক নামকরণের বিপরীতে এই নামের দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও রয়েছে, যা যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শতাব্দী ধরে প্রচলিত আছে।

চাঁদ ক্যালেন্ডারের হিসাবের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো কোনো বছর এই ‘হার্ভেস্ট মুন’ অক্টোবর মাসেও দেখা যেতে পারে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুসারে, এ মাসের চাঁদটি নির্ধারিত সন্ধ্যায় তার পূর্ণতম রূপ ধারণ করবে। তবে এর প্রদীপ্ত রূপটি চরমে পৌঁছালে যুক্তরাজ্যের অধিকাংশ এলাকার আকাশেই তা দিগন্তের নিচে অবস্থান করবে।

এরপরও পরবর্তী পুরো সন্ধ্যা জুড়ে এটা বড় ও পূর্ণিমার আলোয় উদ্ভাসিত থাকবে।

হার্ভেস্ট মুন বাংলাদেশ থেকে দেখা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের এই বিশেষ পূর্ণিমার চাঁদটি ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ও আকাশ পরিষ্কার থাকলে পরবর্তী প্রায় তিন দিন পর্যন্ত এর উজ্জ্বল রূপ উপভোগ করা যাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিগন্তের খুব কাছাকাছি থাকার কারণে চাঁদটিকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ বড় মনে হয়, যা এক ধরনের ‘মুন ইলিউশন’ বা দৃষ্টির বিভ্রম।

দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থানের ফলে আশপাশের ঘরবাড়ি বা গাছপালার মতো বিভিন্ন পরিচিত বস্তুর সঙ্গে তুলনার কারণে চাঁদকে তখন আকারে বড় বলে মনে হয়।

চাঁদটিকে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা লালচেও মনে হতে পারে। তবে চন্দ্রগ্রহণের মতো তা খুব নাটকীয় কোনো দৃশ্য নয় বা ‘হার্ভেস্ট মুন’-এর নিজস্ব কোনো অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্যও নয়।

এমনটা কেবল চাঁদটি আকাশে নিচুতে অবস্থান করার কারণে ঘটে। ফলে চাঁদের প্রতিফলিত আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আমাদের চোখে আসে, যার কারণে আলোর নীলিমা কমে গিয়ে তা আরও গভীর ও লালচে বর্ণ ধারণ করে।

এ মাসের হার্ভেস্ট মুনের পাশাপাশি আকাশে শনি গ্রহকে দেখারও একটি সুবর্ণ সুযোগ থাকছে।

আগামী ৪ অক্টোবর শনি গ্রহ নিজের ‘অপজিশন’ বা প্রতিকূল অবস্থানে পৌঁছাবে, অর্থাৎ এই সময়ে গ্রহটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি আসবে।

অক্টোবরের এই চাঁদের পর পর্যায়ক্রমে আসবে ‘হান্টার্স মুন’ এবং বছরের শেষদিকে দেখা মিলবে ‘বিভার মুন’ ও ‘কোল্ড মুন’-এর। ‘ফার্মারস অ্যালমানাক’ থেকে এই নামগুলো নেওয়া হয়েছে।

‘হান্টার্স মুন’ ছাড়া বাকি নামগুলো অতীতে কম ব্যবহৃত হত। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে।

এফপি/র
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝