শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের কালাকুমা এলাকায় টয়লেট থেকে সানজিদা (৭) নামে এক শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থাকার পর সোমবার (১৮ মে) ভোরে নিজ বাড়িতে ফিরে এলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সানজিদা উপজেলার পানিহাটা এলাকার আমিনুল ইসলামের মেয়ে। মা জামেনা বেগম মারা যাওয়ার পর থেকে সে তার নানী চাঁনভানুর বাড়িতে বসবাস করত।
গত ৭ মে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে সানজিদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের জানানো হয়।
পরদিন ৮ মে বৃহস্পতিবার বিকেলে এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটিকে সর্বশেষ কালাকুমা এলাকার চাঁন মিয়া ওরফে চাঁনু পাগলার ছেলে বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল।
পরে শিশুটির খালা সখিনা বেগম অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে সানজিদার বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিল্লালকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়। এ সময় বিল্লাল ফোনে স্বীকার করে যে, সে সানজিদাকে হত্যা করে তাদের বাড়ির টয়লেটে মরদেহ রেখে গেছে।
এরপর স্থানীয়রা অভিযুক্তের বাড়ির টিনশেড টয়লেট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
ঘটনার পর থেকেই বিল্লাল পলাতক ছিল। অবশেষে সোমবার সকালে নিজ বাড়িতে ফেরার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এফপি/অ