‘নতুন নাটোর, নতুন আশা’—এই স্লোগান সামনে রেখে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী নাটোর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বৃহস্পতিবার সকালে নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের ছাতনী ভাটপাড়া গ্রাম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন।
প্রচারণার উদ্বোধনী বক্তব্যে দুলু বলেন, গত ২০ বছর ধরে নাটোর সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের শিকার হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে নাটোরকে শান্তি ও উন্নয়নের জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।
তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর টানা পাঁচ বছর তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সে সময় নাটোরে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার নাটোরে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন করেনি, বরং লুটপাট ও দমন-পীড়ন চালিয়েছে। নাটোরের মানুষ এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করলে তিনি আগের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দুলু আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে। এসব কার্ডের মাধ্যমে নারী ও কৃষকরা আগামী পাঁচ বছর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া নারী ও শিশুদের সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করতে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন। নারীদের শিক্ষার প্রসারে তিনি মেয়েদের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষা, শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি এবং উপবৃত্তিসহ নানা সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করেছিলেন। ভবিষ্যতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান নারী ও কৃষকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড দিয়ে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করবেন।
বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী নির্বাচনি প্রচারণায় দুলু ছাতনী ইউনিয়নের আগদিঘা, মাঝদিঘা, ছাতনী দিয়া, কেশবপুর, বারোঘড়িয়া, পন্ডিতগ্রাম, ঘোড়াগাছা, ভাটোদারা ও ফরিদপুর আমহাটিসহ অন্তত ১০টি স্থানে পথসভা ও গণসংযোগ করেন।
এসব সভা-সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, নাটোর পৌরসভার মেয়র কাজী শাহ আলম, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহিন, জেলা প্রযুক্তি বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক রাসেল আহম্মেদ রনি এবং শহীদুল্লাহ সোহেল প্রমুখ।
এফপি/এমআই