যশোরের কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আরিয়ান নামে আট মাসের শিশু বিদেশে অবস্থানরত ডাক্তারের পরামর্শে নার্সদের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়ার সময় মারা গেছেন। রাশিয়া থেকে যুক্ত ছিলেন ডাক্তার কামরুল ইসলাম, আর হাসপাতালের নার্স মারিয়া ইয়াসমিন তার পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।
শিশুর মৃত্যু হলে রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হন। হাসপাতালের রিসেপশন শাখার কয়েকজন স্বজনদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করলে সাধারণ মানুষ এগিয়ে এসে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শিশুর নানি নাজমা বেগম বলেন, “শিশুটি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আনা হলে নার্সরা ডাক্তার বিদেশে আছেন বলে জানায়নি। তারা সরাসরি ডাক্তারকে ফোন করে চিকিৎসা দেয়ার সময় শিশুটি মারা যায়। যদি ডাক্তার না থাকেন বলা হতো, আমরা অন্য হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যেতে পারতাম।”
শিশুটির নানা খায়রুল মোল্লা জানান, তার মেয়ে রাবেয়া ও জামাই ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। শিশুটি তাদের কাছে দেড় মাস বয়স থেকে রাখা হয়েছিল।
কেশবপুর থানার এসআই মকলেছুর রহমান বলেন, “মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত। শিশুটির বাবা-মা রওনা দিয়েছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এফপি/এমআই