Dhaka, Friday | 6 November 2026
         
English Edition
   
Epaper | Friday | 6 November 2026 | English
শিরোনাম:

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, নিহত সেনাসদস্য

পাহাড়ে জিম্মি ৫৭ জন উদ্ধার, আটক ৫; অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৯ পিএম  (ভিজিটর : ২৩)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গোলাগুলির ঘটনায় সেনাবাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় মানবপাচারের উদ্দেশ্যে জিম্মি করে রাখা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে চক্রের পাঁচ সদস্যকে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল পাঁচটার দিকে টেকনাফ উপজেলার রঙ্গীখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

সেনাবাহিনীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রঙ্গীখালীর গহিন পাহাড়ে প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিককে জিম্মি করে রাখার খবর পাওয়া যায়। ১৫ থেকে ১৬ সদস্যের একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল তাঁদের আটকে রেখেছিল বলে জানা যায়।

এ তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ আভিযানিক দল বিকেল পাঁচটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মানবপাচারকারীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।

গোলাগুলির সময় সেনাসদস্য সৈনিক মো. তিতাস শেখের বাঁ কাঁধে গুলি লাগে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত তিতাস শেখের বয়স ২৭ বছর। তাঁর বাড়ি ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামে। তিনি সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। প্রায় নয় বছর ধরে তিনি সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এদিকে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাওসার সিকদার বলেন, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্য আহত হন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এস সাজেদুর রহমান অভিযান চলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পাহাড়ি এলাকায় যৌথ বাহিনীর তল্লাশি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযান শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

অন্যদিকে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী পাহাড়ি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযানে জিম্মি অবস্থায় থাকা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ও রোহিঙ্গা রয়েছেন। এ ছাড়া মানবপাচারকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এফপি/মিব
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝