Dhaka, Tuesday | 3 November 2026
         
English Edition
   
Epaper | Tuesday | 3 November 2026 | English
শিরোনাম:

চিলমারীতে ৯ বছরেও মেরামত হয়নি সেতু, সড়কের দাবি এলাকাবাসীর

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম  (ভিজিটর : ৭)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

নির্মাণের মাত্র দুই মাসের মাথায় বন্যায় ভেঙে যায় সেতুটি। এরপর পেরিয়ে গেছে দীর্ঘ ৯ বছর। কিন্তু এ সময়ে সেতুটি সংস্কার কিংবা পুনর্নির্মাণে নেওয়া হয়নি কোনো কার্যকর উদ্যোগ। ফলে ভাঙা সেতুর ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন কয়েকটি গ্রামের মানুষ। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। তবে নতুন করে সেতু নির্মাণের পরিবর্তে ভাঙা অংশে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী একটি টেকসই সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নের পাত্রখাতা ব্যাপারীপাড়া এলাকায় অবস্থিত এ সেতু দিয়ে পাত্রখাতা, ব্যাপারীপাড়া, মাদারীপাড়া, ডাংগারচরসহ সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তাঁদের এ মুহূর্তে নতুন সেতুর চেয়ে বেশি প্রয়োজন একটি সহজ ও নিরাপদ চলাচলের পথ। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে বাঁশের সাঁকোই তাঁদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ বেড়ে গেলে এ পথে চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে এমন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হলেও স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তাঁদের দাবি, নতুন করে সেতু নির্মাণের পরিবর্তে ভাঙা সেতুর স্থানে মাটি ভরাট করে একটি টেকসই সড়ক নির্মাণ করা হোক। এতে কয়েক গ্রামের মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে এবং নিরাপদ চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে।

জানা গেছে, উপজেলার রমনা ইউনিয়নের পাত্রখাতা শিমুলতলী এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩০ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের দুই মাস না পেরোতেই বন্যায় সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে এটি কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

পাত্রখাতা শিমুলতলী এলাকার শাহজামাল মিয়া (৭০) ও নাজমুল হোসেন (৩৫) বলেন, ‘শুকনো মৌসুমে ভাঙা সেতুর ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করে কোনোভাবে চলাচল করা যায়। কিন্তু বর্ষায় পানির কারণে এ পথে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। আমরা এখানে নতুন সেতু চাই না, চলাচলের জন্য একটি ভালো সড়ক চাই।’

একই এলাকার মোছা. সাইদা বেগম বলেন, ‘এখানে সেতু নির্মাণেরই প্রয়োজন ছিল না। এখন এই সেতু আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম আশেক আকা বলেন, ‘এলাকাবাসীর দুর্ভোগ ও ঝুঁকির বিষয়টি আমার জানা আছে। সেতু মেরামতের জন্য এখনো সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাঠ ও বাঁশের সাঁকো নির্মাণে সহযোগিতা করেছি।’

চিলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আতাউর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এফপি/মিব
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝