শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপকূলীয় অঞ্চলের ধর্মীয় উপাসনালয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং সর্বসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন। পূজা উদযাপনের শুরু থেকেই সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোস্ট গার্ডের সাড়ে তিন হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে মোংলা উপজেলা কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান।
পরিদর্শনকালে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত কাজ করছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, উপাসনালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি জানান, কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার উপকূলীয় এলাকায় মোট ১৪৪টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে আনন্দঘন ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, ‘আগামীকাল প্রতিমা বিসর্জনের সময় সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় বিসর্জন ঘাটগুলোতে কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল উপস্থিত থাকবে।’
জরুরি পরিস্থিতি কিংবা যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনায় সহায়তা পেতে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি।
মহাপরিচালক আশা প্রকাশ করেন, প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হবে।
এফপি/মিব