Dhaka, Monday | 28 September 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 28 September 2026 | English
শিরোনাম:

আমনে ফলনেও হাসি নেই কৃষকের

প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম  (ভিজিটর : ৪৬)
ঘটনা অনুযায়ী এআই দ্বারা নির্মিত ছবি। ডিজাইন: রাহাত আবীর রুপম

ঘটনা অনুযায়ী এআই দ্বারা নির্মিত ছবি। ডিজাইন: রাহাত আবীর রুপম

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় শুরু হয়েছে আগাম জাতের আমন ধান কাটা ও মাড়াই। চলতি মৌসুমে ফলন ভালো হলেও বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষকেরা। উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় প্রতি বিঘায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ফুলবাড়ীতে ১৮ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের ধানের আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে। এসব জমি থেকে প্রায় ৮ হাজার ৪১৫ টন ধান উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ। ৯০ থেকে ১১০ দিনে পেকে যাওয়া এসব ধান কাটার পর ওই জমিতে আলু এবং পরবর্তী সময়ে ভুট্টা চাষ করেন স্থানীয় কৃষকেরা।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় এবার প্রতি বিঘা জমিতে ধান উৎপাদনে খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকার বেশি। প্রতি বিঘায় ১৮ থেকে ২২ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া গেলেও স্থানীয় বাজারে জাতভেদে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকা দরে। এতে প্রতি বিঘা জমি থেকে কৃষকের আয় হচ্ছে প্রায় ১৭ থেকে ১৯ হাজার টাকা।

কৃষকেরা জানান, উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে হলেও তাঁদের বাধ্য হয়ে বাজারে ধান তুলতে হচ্ছে। আগাম আলু ও শীতকালীন সবজি চাষের প্রস্তুতি, কৃষি ঋণ পরিশোধ এবং সংসারের দৈনন্দিন খরচ মেটাতে নগদ অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় কম দামেই ধান বিক্রি করছেন তাঁরা।

ফুলবাড়ী বাজারের ধান আড়তদার ও চাউল কল মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা জানান, গত কয়েক সপ্তাহে প্রতি মণ ধানের দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা এবং আমদানিকৃত চালের উপস্থিতির কারণে দেশীয় ধানের চাহিদা ও দামে প্রভাব পড়েছে বলে তাঁদের ধারণা।

ধানের বাজারদর প্রসঙ্গে উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহানুর রহমান বলেন, ধানের বাজারমূল্য নির্ধারণ বা নিয়ন্ত্রণ করা কৃষি বিভাগের এখতিয়ার নয়। তবে উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে সরকার বিভিন্ন সময়ে কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সারসহ বিভিন্ন সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে আসছে।

ভালো ফলনের পরও উৎপাদন খরচের তুলনায় ধানের কম বাজারদর নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রান্তিক কৃষকেরা। তাঁদের আশঙ্কা, আমন ধানে লোকসানের কারণে আগামী মৌসুমে আলু ও শীতকালীন সবজি চাষের অর্থসংস্থানেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

এফপি/র
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝