Dhaka, Monday | 28 September 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 28 September 2026 | English
শিরোনাম:

দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার

মোজতবা খামেনির বেঁচে ফেরার নেপথ্যে ছিল যে ভয়াবহ ঘটনা

প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম  (ভিজিটর : ৩৮)
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তার ছেলে মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তবে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও নিরাপদে ছিলেন না মোজতবা। তার অবস্থান করা হাসপাতালেও হামলা চালানো হয়। পরে হাসপাতালটির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।

কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল আরাবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস বা বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য মহসেন হায়দারি। নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে তার বক্তব্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

হায়দারি জানান, আহত অবস্থায় মোজতবা খামেনিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তেহরানের তিনটি হাসপাতালে ধারাবাহিকভাবে বোমা হামলা চালানো হয়। তৃতীয় হাসপাতালটিতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন মোজতবা। পরে হামলায় ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

কোথায় মোজতবা খামেনি?

সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরও মোজতবা খামেনিকে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন। এমনকি বাবার জানাজাতেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

সম্প্রতি মোজতবা আহত বা শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, তিনি নতুন নেতার সঙ্গে আড়াই ঘণ্টা আন্তরিক পরিবেশে বৈঠক করেছেন।

এদিকে মোজতবা খামেনির ভাগ্য নিয়ে চলমান জল্পনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, মোজতবা মারা গেছেন বলে তিনি মনে করেন না। তবে তার দাবি, নতুন সর্বোচ্চ নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন এবং শরীরের বাঁ পাশ, হাত ও পা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যেভাবে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন মোজতবা

মোজতবা খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়েও বক্তব্য দিয়েছেন হায়দারি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৮ মার্চ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলার সময় কোম শহরে বিশেষজ্ঞ পরিষদের বৈঠকস্থলে বোমা হামলা হয়। এতে আটজন নিহত হন এবং নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ধ্বংস হয়ে যায়।

এরপর সদস্যরা একটি গোপন কক্ষে কাগজের ব্যালটে ভোট দেন। মোট ৫৯টি ভোটের মধ্যে ৫০টি পেয়ে মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হন বলে জানান হায়দারি। আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি পান আট ভোট। একজন সদস্য ভোটদানে বিরত ছিলেন।

হায়দারি বলেন, শত্রুদের অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি ছাড়া অন্য কাউকে নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হবে না।

এফপি/র

সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝