কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা পরিষদ চত্বরে ব্যাডমিন্টন খেলা ও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্যসংগ্রহকারীদের ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তীব্র লোডশেডিং ও তাপদাহের মধ্যে সরকারি কার্যালয় চত্বরে নিয়মিত রাতে ব্যাডমিন্টন খেলার আয়োজন নিয়ে কয়েক দিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। এর মধ্যে রোববার রাতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্যসংগ্রহকারীদের ফলাফল প্রকাশে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এরই মধ্যে একদল বিক্ষুব্ধ লোক মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশ করেন। মিছিলের মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসানসহ ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়রা সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর আবার খেলা শুরু হলে বিক্ষুব্ধ লোকজন মাঠে গিয়ে খেলার বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন এবং ইউএনওকে গালমন্দ করে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় ইউএনও নিজ বাসভবনে চলে গেলে খেলোয়াড়রা বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে শিক্ষক মিলন চন্দ্র ও মো. রেজাউল করিম রেজাকে মারধর করা হয় বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে সরকারি কার্যালয় চত্বরে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন এবং ফ্যামিলি কার্ডের তথ্যসংগ্রহকারীদের ফলাফল প্রকাশকে ঘিরে সৃষ্ট অসন্তোষ থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও গভীর রাতে হামলার ঘটনা ঘটায় এতে কারা জড়িত ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এফপি/ফ