জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের ছুটি ও সপ্তাহিক এবং ঐচ্ছিক দিলিয়ে টানা চার দিনের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। সৈকতের বেলাভূমিতে বিচরণ, সাগরে গোসল ছাড়াও পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ খোলা জিপে মেরিন ড্রাইভ হয়ে ইনানি, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফ ভ্রমণ।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকেই পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অসংখ্য অভিযোগ জেলা প্রশাসনের কাছে আসতে থাকে।
সাধারণত এসব ট্যুরিস্ট জিপের ভাড়া সাড়ে চার থেকে ছয় হাজার টাকার মধ্যে থাকে। কিন্তু পর্যটক ঢল নামায় সিন্ডিকেট করে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় শুরু করে চালক ও মালিকরা।
অভিযোগ পেয়ে পর্যটকদের হয়রানি রোধে দুপুরে মাঠে নামে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফির নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে জিপ মালিক ও চালকদের ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির ফিটনেস যাচাইকালে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুটি জিপ জব্দ করা হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চলে।
অভিযানের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে আসা ইকরাম হোসেন ও লতিফা খানম পর্যটক দম্পতি বলেন, পাটুয়ারটেক যেতে খোলা জীপ ভাড়া করতে গিয়ে যা ভাড়া চেয়েছে তা অস্বাভাবিক বলে মনে হয়।
একজনের সহায়তায় জেলা প্রশাসনে ফোন করে বিষয়টি জানানোর পর দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে আসে। প্রশাসনের তাৎক্ষনিক সাড়াই খুবই ভালো লেগেছে- এটা প্রশংসার দাবি রাখে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফি জানান, পর্যটকদের জিম্মি করে হয়রানি বন্ধে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে এ অভিযান চালানো হয়। পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
এফপি/ফ