হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি নুরুল ইসলাম সজলকে নারী-সংক্রান্ত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে নুরুল ইসলাম সজলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নারীসংক্রান্ত অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতারা জরুরি বৈঠক করেন। পরে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নুরুল ইসলাম সজলকে গাজীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
দলীয় সূত্রের দাবি, তাকে মৌখিকভাবে পদ থেকে অব্যাহতির বিষয়টি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বুধবার (৫ আগস্ট) রাত প্রায় ২টার দিকে গাজীপুর ইউনিয়নের গজারিয়াপাড় এলাকায় এক প্রতিবন্ধী যুবকের স্ত্রীর সঙ্গে নুরুল ইসলাম সজলকে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয় লোকজন আটক করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মিজান মিয়া ও নুরুল ইসলাম সজলের বড় ভাই কাজল মিয়া তাকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অনেকে নুরুল ইসলাম সজলের ছবি পোস্ট করে লিখেন- এ যেন জামায়াতের নারী কেলেঙ্কারির ভাদ্র মাস চলছে। একের পর এক নারীঘটিত ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. ইদ্রিছ আলী বলেন, অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় গাজীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুল ইসলাম সজলকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নৈতিক পদস্খলনজনিত কারণে তাকে ইউনিয়ন সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তবে নুরুল ইসলাম সজলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
এফপি/র