পুলিশ জানায়, মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের নিঝুম খাতুন গত বছরের ১৩ মার্চ নিখোঁজ হন। ওই দিনই তাঁর মা মহেশপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তদন্তে নামে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে জিম নিঝুমকে ঝিনাইদহ থেকে পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী রেলস্টেশন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে বিয়ে করা নিয়ে দুজনের মধ্যে মতবিরোধের একপর্যায়ে জিম নিঝুমকে মারধর করেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে রেললাইনের পাশের নির্জন এলাকায় নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।
পুলিশ আরও জানায়, গত বছরের ১৭ মার্চ পাকশী রেলস্টেশন এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে পাবনা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সহায়তায় মরদেহটি দাফন করা হয়। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছিল।
পরে তদন্তের মাধ্যমে ওই অজ্ঞাত মরদেহটি নিঝুম খাতুনের বলে শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার জিম আদালতে নিঝুম হত্যার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আশিস বিন হাসান বলেন, পুলিশ ও সাইবার ইনভেস্টিগেশন সেলের সমন্বিত তদন্তে হত্যার রহস্য উদঘাটন করে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এফপি/র