Dhaka, Tuesday | 30 June 2026
         
English Edition
   
Epaper | Tuesday | 30 June 2026 | English
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার
আগামী ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন
মহাকাশ গবেষণায় আধুনিক ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম:

তিস্তায় পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি হাজারও পরিবার

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১১:৩৮ এএম  (ভিজিটর : ৩৫)

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে আবারও ফুঁসে উঠেছে তিস্তা নদী। এতে লালমনিরহাটের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি ঢুকে পাঁচ উপজেলার অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক, বাদাম-সবজিসহ চলতি মৌসুমের বিভিন্ন ফসল। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক পরিবারে রান্নাবান্নাও বন্ধ রয়েছে।

২৯ জুন (সোমবার) পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, রোববার রাতে ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সোমবার বিকেল ৩টায় তা বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার নিচে নামে। তবে ব্যারেজ পয়েন্টে পানি কমলেও ভাটির হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

জানা গেছে, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সদর উপজেলার রাজপুর ও খুনিয়াগাছ, হাতীবান্ধার ডাউয়াবাড়ি ও গড্ডিমারী, কালীগঞ্জের ভোটমারী এবং আদিতমারীর মহিষখোচাসহ বেশ কয়েকটি এলাকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

হাতীবান্ধার গড্ডিমারী চরের বাসিন্দা ফজলুল হক (৪৫) বলেন, “রাতে হঠাৎ ঘরে পানি ঢুকে যায়। পানি বিছানার কাছাকাছি চলে এসেছে। চুলা ভিজে যাওয়ায় রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে।”

আদিতমারীর মহিষখোচা এলাকার কৃষক সোলেমান মিয়া (৫২) বলেন, “চরের বাদাম ও খেতের সবজি পানিতে তলিয়ে গেছে। বাড়িঘরেও পানি উঠেছে। বাড়িতে যাওয়ার সড়কটিও ডুবে গেছে।”

লালমনিরহাট সদর উপজেলার কালমাটি এলাকার মরজিনা বেগম (৪০) বলেন, “গেল রাত থেকে বাড়িতে পানি উঠেছে। রান্না করার উপায় নেই। তাই স্কুলঘরের বারান্দায় ছাগল-মুরগি রেখে এক পাশে চুলো বসিয়ে রান্না করছি।”

নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর বর্ষায় কয়েক দফা বন্যা ও ভাঙনের মুখে পড়তে হয় তাদের। নদী খনন ও স্থায়ী সমাধান ছাড়া এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি নেই বলে দাবি তাদের।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার রায় জানান, উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি ওঠানামা করছে। ভাঙন রোধে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে এবং বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান বলেন, পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। দুর্গতদের জন্য ২২০ মেট্রিক টন চাল ও পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এফপি/র



সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝