বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার কুন্দগ্রামে পরিত্যক্ত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত হওয়ায় নজরদারি ও তদারকি না থাকায় এই ভবনটি দিনের পর দিন মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। অনিরাপদ এই ভবনটি দ্রুত অপসারণের দাবি এলাকাবাসীর।
জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলার সদর থেকে প্রায় ৮ কিমি দূরে কুন্দগ্রাম ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র অবস্থিত। ১৯৮০ সালে এই পরিবার কেন্দ্রটি পাকা ভবন নির্মাণ করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। দীর্ঘদিনের পুরাতন ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সম্প্রতি পাশে একটি নতুন ভবন নির্মাণ করে আগের ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সেই থেকে একজন ফার্মাসিস্টের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের মানুষদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
বর্তমানে পুরাতন জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত কুন্দগ্রাম ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি নজরদারি ও তদারকি না থাকায় দিন দিন মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। ভবনটির বিভিন্ন অংশে ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। জরাজীর্ণ পুরাতন পরিত্যক্ত এই ভবনটি দ্রুত অপসারণ বা ভাঙা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকেই।
কুন্দগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোসলিম উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিনের পুরাতন পরিত্যক্ত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবনটির ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই অপসারণ করা প্রয়োজন।
আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. ফজলে রাব্বি জানান, কুন্দগ্রাম ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পুরাতন ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তা অপসারণের জন্য ইতিমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
এফপি/র