“সারা বাংলাদেশ লিখে দিলেও এতো খুশি হতাম না, তার চেয়ে হাজার হাজার গুণ বেশি খুশি হয়েছি প্রধানমন্ত্রী আমার সাথে সাক্ষাৎ করায়।” ময়মনসিংহের ভালুকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ শেষে এভাবেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছে কিশোরী সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান।
রেয়ান ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকার এবি সিদ্দিক সুহেল এর মেয়ে ও সাহেরা নায়েব ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা আবু সাঈদ জুয়েল এর ভাতিজী।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সড়কপথে ময়মনসিংহের ত্রিশালে যাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর বাজার এলাকায় তখন ফুল হাতে রাস্তার পাশে অপেক্ষা করছিল বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষুদে ভক্ত হিসেবে পরিচিত কিশোরী সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান। প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর ওই এলাকা পার হওয়ার সময় কিশোরী রেয়ানের আকুলতা নজর কাড়ে খোদ প্রধানমন্ত্রীর। নিরাপত্তার প্রটোকল উপেক্ষা করেই গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেন তিনি এবং হাসিমুখে এই ক্ষুদে ভক্তের ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এমন অবিশ্বাস্য আন্তরিকতায় যেন আকাশে ওড়ার আনন্দ ছুঁয়ে গেছে কিশোরী রেয়ানের মনে। সাক্ষাৎ শেষে নিজের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রেয়ান জানায়, “সারা বাংলাদেশ লিখে দিলেও আমি এত খুশি হতাম না, তার চেয়ে হাজার হাজার গুণ বেশি খুশি হয়েছি প্রধানমন্ত্রী আমার সাথে নিজে সাক্ষাৎ করেছেন বলে।”
আনন্দের আতিশয্যে রেয়ান আরও বলে, “প্রধানমন্ত্রী আমার ফুল গ্রহণ করে আমার মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করেছেন। শুধু তাই নয়, উনি উনার নিজের জন্যও আমার কাছে দোয়া চেয়েছেন! দেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো একজন মানুষ আমার কাছে দোয়া চেয়েছেন—এর চেয়ে বড় পাওনা আর কী হতে পারে! আমি যে কতটা খুশি হয়েছি, তা মুখে বলে বোঝানো সম্ভব না।”
কিশোরী রেয়ানের সাথে প্রধানমন্ত্রীর এমন ভালোবাসার মুহূর্ত এবারই প্রথম নয়। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে ময়মনসিংহ সফর শেষে ফেরার পথে এই সিডস্টোর এলাকাতেই প্রথমবার গাড়ি থামিয়ে রেয়ানের সাথে কথা বলেছিলেন তারেক রহমান। আজ দ্বিতীয়বারের মতো প্রিয় নেতার সেই চেনা হাসি আর স্নেহময় আচরণে মুগ্ধ রেয়ানের পুরো পরিবার।
রেয়ানের মা শুষমিতা জামান জানান, পুরো পৃথিবী লিখে দিলেও এই ভালো লাগার অনুভূতি বলে বুঝানো সম্ভব নয় এবং সেই অনুভূতি প্রকাশের ভাষাও তার জানা নেই।
স্থানীয়রা জানায়, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে যেমন আন্তরিক ছিলেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে তিনি আরও আন্তরিক হয়েছেন। আমরা এরকম প্রধানমন্ত্রীই চেয়েছিলাম। প্রিয় নেতার সেই চেনা হাসি আর স্নেহময় আচরণে মুগ্ধ পুরো ভালুকাবাসী।
এফপি/জেএস