খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে বলে দাবি করেছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তবে নগরীর খালিশপুর এলাকার দুটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এসব এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলেও জানান প্রশাসক।
মঙ্গলবার সকালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মহানগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও কেসিসির উদ্যোগে স্থাপিত বিনা মূল্যের চিকিৎসাকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ডেঙ্গু সংক্রমণ মোকাবিলায় খুলনা নগরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করছে কেসিসি। তিন মাসব্যাপী এ বিশেষ কর্মসূচির দুই মাস ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি এক মাসে কী কী কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করতেই হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে। তবে খালিশপুরের দুটি ওয়ার্ডে পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। এসব এলাকায় ডেঙ্গু সংক্রমণ কমাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে খুলনাকে ডেঙ্গুমুক্ত ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট খুলনা জেনারেল হাসপাতাল এবং নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের লাল হাসপাতাল, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঋষিপাড়ায় আঞ্চলিক নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে স্থাপিত চিকিৎসাকেন্দ্র ও ২৯ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়ে স্থাপিত বিনা মূল্যের চিকিৎসাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যা ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গাজী, কেসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, কেসিসির ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এফপি/মিব