ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
অনুমোদিত স্থান ছাড়া সড়ক ও ফুটপাতে হকার বসলে উচ্ছেদের পাশাপাশি মালামাল জব্দ এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর ধলপুরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়ক থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও জনভোগান্তি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশন হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত ও স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে। এর বাইরে জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাটের মূলসড়কসহ কোনো ফুটপাতে অবৈধভাবে হকার বসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, শহরের সব হকারকে শৃঙ্খলার মধ্যে আসতে হবে এবং সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত হতে হবে। নিবন্ধন ছাড়া ঢাকার কোথাও হকার বসতে দেওয়া হবে না। উচ্ছেদের পর পুনরায় ফুটপাত দখল করা হলে এখন থেকে মালামাল জব্দের পাশাপাশি সরাসরি মামলা করা হবে।
হকারদের নোটিশ দেওয়া ও পুনর্বাসনের বিষয়ে আবদুস সালাম বলেন, হকার নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পরই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই নতুন করে নোটিশ দেওয়ার কোনো বিষয় নেই।
উচ্ছেদ এর চিত্র। ছবি : সৌজন্যে
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়-৫-এর প্রবেশপথে ঢাকা ওয়াসার দীর্ঘসূত্রতার কারণে সৃষ্ট জনভোগান্তি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ওয়াসার কাজের কারণে প্রতিদিন সেবা নিতে আসা হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন। ওয়াসাসহ অন্যান্য সেবাদানকারী সংস্থাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমন্বিতভাবে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কাজ পরিদর্শনের চিত্র।
স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে প্রশাসক বলেন, সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে প্রতি ১৫ দিন পরপর বৈঠক হচ্ছে। ওয়াসা, সিটি করপোরেশন, টিঅ্যান্ডটি ও বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এসব বৈঠক হচ্ছে—এ তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটেও উল্লেখ রয়েছে।