পাবনার ফরিদপুরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নাফিউল করিম সোহান হত্যা মামলার নয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পাওয়া যায়নি ফরেনসিক ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন। আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়া এবং তদন্তে অগ্রগতি না থাকায় হতাশা ও নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়েছেন নিহতের বাবা-মা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে একটি সংবাদপত্রের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন তারা।
নাফিউলের বাবা-মা জানান, তাদের ছেলে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২৫ সালের ৯ জুন সকালে বাড়ির নিজ কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নাফিউলকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার পর ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট নাফিউলের মা নাসিমা আক্তার ছয়জনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা করেন।
পরিবারের ভাষ্য, আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের জানুয়ারিতে নাফিউলের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো ফরেনসিক ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মামলা হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলেও দাবি করেন তারা।
এ ছাড়া মামলা করার পর থেকেই আসামিপক্ষ বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি ও হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন নাফিউলের বাবা-মা। তাদের মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। এতে পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
নাফিউলের পরিবারের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রতিবেদন না আসায় মামলার তদন্তও দীর্ঘসূত্রতায় পড়েছে। তারা দ্রুত ফরেনসিক ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সংগ্রহ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এফপি/র