কুষ্টিয়ার খোকসা রেলস্টেশনে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি পুনর্বহালের দাবিতে প্রায় আড়াই ঘন্টা রেলপথ অবরোধ করে রাখে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ) বিকেল সাড়ে চারটা থেকে খোকসা রেলস্টেশনের রেলপথে দাঁড়িয়ে শতাধিক মানুষ অবরোধ করে। এতে আটকা পড়ে ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে সন্ধ্যা ৭টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
এর আগে বুধবার (২২ জুলাই ) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক সিদ্ধান্তে খোকসা রেলস্টেশন থেকে কুমারখালী স্টেশনে যাত্রাবিরতি স্থানান্তরের নির্দেশ জারির পর থেকেই স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। বুধবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবরোধের ডাক দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটা থেকে শতাধিক মানুষ স্টেশনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে কুষ্টিয়া থেকে রাজবাড়ীগামী ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী- খোকসা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন খোকসা স্টেশনে যান। তিনি আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন, বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি খোকসা ও কুমারখালী দুই স্টেশনেই যাত্রাবিরতি দেবে। তবে তাঁর বক্তব্যের পর আন্দোলনকারীরা ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন।
বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টেশনে আসে বলে জানান কুমারখালী রেলস্টেশনের বুকিং সহকারী আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে। খোকসায় অবরোধের কারণে লাইন ক্লিয়ার না হওয়ায় ট্রেনটি ছাড়া যাচ্ছে না।
পরে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন এবং রেলওয়ের রাজবাড়ীর সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌচ্ছান। তারা রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এরপর আগামী সোমবারের মধ্যে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির চিঠি (আদেশ) বাতিল করে নতুন চিঠি জারির প্রতিশ্রুতি দেন। পরে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
এফপি/ফ