ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের সামনের অবস্থা একেবারে বেহাল। বৃষ্টি হলেই সড়কে হাঁটুপানি, জুতা হাতে স্কুলে যাওয়ার লড়াই শুরু হয় খুদে শিক্ষার্থীদের।
সদ্য নির্মিত কোটি টাকা ব্যয়ে এলজিইডি কর্তৃক নির্মিত সড়কে কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি হয়ে যায় জলাশয়। পাশেই রয়েছে সরকারি এসএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি ট্যাকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, সরকারি ডিগ্রি কলেজ, বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। বৃষ্টি হলেই বাড়ে দূর্ভোগ। পায়ে হেটে যাওয়া শিক্ষার্থীদের পোশাক, জুতো ভিজে একাকার হতে হয়।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে সামান্য বৃষ্টির পর বিদ্যালয় সংলগ্ন বড়বাড়ি- ভূইয়াবাড়ি মোড়ে প্রায় ৫০০ মিটার কাঁচা সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এতে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থীকে হাঁটুপানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হয়।
ডুবে যাওয়া সড়কের সামনে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মালিয়াকে পিঠে ভেজা স্কুলব্যাগ, এক হাতে জুতা ও অন্য হাতে গুটানো স্কুলড্রেস নিয়ে হাঁটুপানির মধ্যে সাবধানে এগোতে দেখা যায়। কয়েক কদম পরপরই হোঁচট খাওয়ার উপক্রম হচ্ছিল শিশুটি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা কিংবা বৃষ্টি এলেই অপরিকল্পিত ডিজাইনের সড়কটি ডুবে যায়। কারন, এখানে কোন পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বৃষ্টি হলে কোথাও কোথাও রাস্তার অস্তিত্বও বোঝা যায় না। পানির নিচে ছোট-বড় গর্ত থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। তাদের দাবী, এখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হোক।
চলতি সপ্তাহে যোগদান করা এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী ফজলে রাব্বি ছুটিতে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টা আগে জানতাম না। এখন অবগত হলাম। শিগগিরই সরেজমিন পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফপি/অ