Dhaka, Monday | 24 August 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 24 August 2026 | English
শিরোনাম:

খুলনায় পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:০৪ এএম  (ভিজিটর : ১২৫)

খুলনার সোনাডাঙ্গায় গৃহপরিচারিকাকে শারিরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ দম্পত্তির বিরুদ্ধে। 
 
বুধবার দুপুরের নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্কের পাশে একটি ভাড়া বাসায় তাকে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাকা দেওয়া হয়। 

এর আগে তাকে কান ধরে উঠবস ও মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ওই গৃহপরিচারিকাকে উদ্ধার করে সোনাডাঙ্গা থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার নেওয়া হয়। ঘটনাটি জানা জানি হলে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

নির্যাতিতা গৃহপরিচরিকা হলেন মিলন (১৮)। আর নির্যাতনকারী দম্পত্তি হলেন সোনাডাঙ্গা থানার এএসআই সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী এএসআই পপি মিত্র। তারা দুজনই সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় কর্মরত আছেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় নির্যাতনে শিকার হওয়া গৃহপরিচারিকার প্রকৃত নাম মিলন। তিনি নরসিংদীর বাসিন্দা। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর বহুদিন ধরে সোনাডাঙ্গা থানার এএসআই পপি মিত্রের বাবার বাড়িতে থাকতেন। গত ৫ বছর ধরে পপি দম্পত্তির সাথে থাকেন এ গৃহপরিচারিকা। পানের থেকে চুন খসলে তার ওপর নির্যাতন করতেন এ দম্পত্তি। 

বুধবার দুপুরে তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। তরকারি পুড়ে যাওয়ায় মিলনের ওপর নির্মম নির্যাতন চালায় এ দম্পত্তি। এর আগে তাকে কান ধরে ওঠাবস করায় ওই দম্পত্তি। 

বুধবার সোনাডঙ্গার দ্বিতীয় আবাসিক এলাকায় সোলার পার্কের একটি অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে ভিডিও চিত্র ধারণ করছিল কয়েকজন সাংবাদিক। বাইরের চিত্র ধারণ করতে গিয়ে মিলনের ওপর নির্যাতনের চিত্র ফটো সাংবাদিক আরজি উজ্জলের ক্যামেরা ধরা পড়ে। 

পরে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ডেকে নেয় উপস্থিত সাংবাদিকরা। পরে বিষয়টি জানা জানি হলে সেখানে ভিড় করে উপস্থিত সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। গৃহপরিচারিকাকে উদ্ধার করে সোনাডাঙ্গার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নেওয়া হয়। 

এ ঘটনাকে নিয়ে ওই এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তার শরীরের বিভিন্নস্থানে একাধিক ছ্যাকা দেওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে। মুখমন্ডলেও নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে।

জানতে চাইলে সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় জরুরী সেবার মাধ্যমে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। গৃহকর্মীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার রাখা হয়েছে। 

সংবাদ জেনে কেএমপি'র উর্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসেছেন। থানার দু'এএসআইয়ের বিরুদ্ধে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তাদের দু'জনকে থানায় আনা হয়েছে। তবে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাকা দেওয়ার সত্যতা গৃহকর্মী মিলন পুলিশ জানায় নি বলে তিনি জানান। 
 
এফপি/অ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝