যশোরের কেশবপুরে লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। রোববার (১০ মে) দুপুরে যশোর সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে এক বিশেষ অভিযানে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বন্ধ ঘোষিত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো পৌর শহরের সরকারি পশু হাসপাতাল সংলগ্ন মাইকেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্রিস্টাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ মাসুদ রানা এবং কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ রেহনেওয়াজ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। ফলশ্রুতিতে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠান দুটির অপারেশন থিয়েটারসহ যাবতীয় কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে যশোরের সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ মাসুদ রানা সংবাদমাধ্যমকে জানান, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ক্লিনিক পরিচালনা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই দুটি প্রতিষ্ঠানের কোনো ধরনের চিকিৎসা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম চালানো যাবে না। নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ রেহনেওয়াজ বলেন, বন্ধ ঘোষিত ক্লিনিক দুটির ২০২৩ সালের পর থেকে কোনো লাইসেন্স নবায়ন নেই। সাধারণ মানুষের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান চলমান থাকবে।
অভিযান চলাকালে স্থানীয় উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। স্বাস্থ্য বিভাগের এমন পদক্ষেপকে সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।
এফপি/অ