Dhaka, Saturday | 10 October 2026
         
English Edition
   
Epaper | Saturday | 10 October 2026 | English
শিরোনাম:

গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ম্যানেজার

প্রকাশ: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৪:৪১ পিএম  (ভিজিটর : ১৪০)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা-এর সোনারামপুর ইউনিয়নের সোনারামপুর বাজারে অবস্থিত গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং এর ম্যানেজার জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। গ্রাহকেরা রয়েছে চরম আতংকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সোনারামপুর বাজারে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতেন জাহাঙ্গীর হোসেন। এলাকার সাধারণ মানুষ তার প্রতিষ্ঠানে টাকা জমা রাখতেন এবং বিভিন্ন ব্যাংকিং লেনদেন করতেন।

সম্প্রতি গত এক সপ্তাহ যাবত তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে আত্মগোপনে চলে গেলে গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আজ রবিবার এই নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়। 

ব্যাংকের গ্রাহক ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেকেই তাদের সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন ও প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ওই এজেন্টের কাছে জমা রেখেছিলেন। বর্তমানে জাহাঙ্গীর হোসেনের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কয়েকজন গ্রাহক জানান, তারা ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকেই সোনারামপুর বাজার এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় এনে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এই ব্যাপারে ভুক্তভোগী রাশিয়া খাতুন বলেন, আমার ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী। সে প্রতি মাসে টাকা পাঠায় এই এজেন্ট ব্যাংকে। আমি প্রায় টাকা তুলতে আসি এখানে। অনেক সময় ৫০ হাজার টাকা তুলতাম কিন্তু জাহাঙ্গীর হোসেন ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা তুলে নিয়ে যাইতো আমার ফিঙ্গার দিয়ে। আমি সেটা বুঝতে পারি নাই। কারণ আমি চোখে কম দেখি এবং মোবাইলে এসএমএস দেখি না।

আরেক ভুক্তভোগী অহাব বলেন, আমার ছেলে প্রবাস থেকে মাসে মাসে টাকা দিত। আমি কিছু টাকা নিয়ে খরচ করেছি। বাকি ৬ লক্ষ টাকা ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকে ছিল। জাহাঙ্গীর হোসেন আমার সে টাকা নিয়ে কোথায় পালিয়ে গেল আমি জানি না। আমি এক্কেবারে নিজস্ব হয়ে গেলাম।

আরেক ভুক্তভোগী শামসুল হক বলেন, ১ লক্ষ টাকা হিসেবে নেই।
আজ সকাল থেকে ব্যাংক এশিয়ার সোনারামপুর এজেন্ট শাখায় গ্রাহকদের ভীড় ছিলো চোখে পড়ার মতো।  সবার ধারনা, সবার হিসেব যোগ করলে কোটি কোটি টাকা উধাও হতে পারে। 

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে দায়িত্বরত অন্য এ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানের ভাষ্য, “উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ এটি অবগত আছেন এবং আমি গ্রাহকের অভিযোগ নিচ্ছি। আমি কার কতো কতো টাকা লোপাট হয়েছে তা খতিয়ে দেখছি। সকল অভিযোগ আমি আমাদের হেড অফিসে পাঠাবো। আশা করি একটা ভালো সমাধান হবে।”

এবিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো তারিকুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে জানান, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কাজে আছি। তারপরও আমি বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। 

এফপি/অ

সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝