চন্দনাইশ উপজেলায় থানার ক্যাশিয়ার পরিচয়ে ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি করছে মানিক নামে এক ব্যাক্তি। ক্যাশিয়ারের হাতে টাকা দিলেই যেকোন অপরাধ হয়ে যাচ্ছে বৈধ যার ফলে এলাকায় বাড়ছে অপরাধ।
জানাযায়, দীর্ঘদিন পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করা মানিক চলতি বছরের শুরু থেকে ক্যাশিয়ার পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি করছে। মাদক কারবার, অবৈধ দখল, বালু উত্তোলন, টপ সয়েল ও পাহাড় কাটার অনুমতি দেয়া, গাছের গাড়ি, অবৈধ ক্রস ফিলিং সহ সকল অনৈতিক বা অবৈধ কাজের জন্য টাকা সংগ্রহ করছে। তাকে টাকা দিলেই নিরাপদে অবৈধ কাজ করা যায়। একাধিক পাহাড় কাটা ও ভূমির টপ সয়েল কাটা ব্যাক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মানিক কে নিয়মিত টাকা দিতে হয়, ওকে টাকা দিলে পুলিশ ঝামেলা করেনা।
অনুসন্ধানে জানাযায়, উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ও হাশিমপুর ইউনিয়নে কয়েকটি পাহাড় কেটে সাবার করেছে দুর্বৃত্তরা এবং উপজেলার আনাচে কানাচে ভূমির টপ সয়েল কেটে জমি চাষাবাদের অনুপযুক্ত করেছে। দুর্বৃত্তদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এসব কাজকে বৈধ করেছে মানিক। উপজেলায় যত ধরনের অবৈধ কাজ সংগঠিত হয় সব জায়গায় মানিকের চাঁদাবাজি ও বিনিময়ে পুলিশ কতৃক ঝামেলার নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। একা নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হওয়ায় ঘাটে ঘাটে নিয়োগ দিয়েছে জনবল।
মানিক দোহাজারী পৌরসভার সরকার পাড়া এলাকার খায়ের আহমদের ছেলে।
টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে মানিকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে জানান, অনেক আগে থেকেই টাকা উত্তোলন করি, সবাই জানে, নতুন করে প্রশ্ন করার কি আছে। এব্যাপারে চন্দনাইশ থানার ওসি ইলিয়াছ খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ডিসেম্বর মাসে যোগদান করার পর আমার সাথে পরিচিত হতে থানায় এসেছিল তাকে বলেছি আমার থানায় এগুলো করলে আটক করা হবে। থানার নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায় করা হলে সেটার সাথে আমি জড়িত নয়।
এফপি/জেএস