নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আমানউল্লাহ সাগরকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার (৬ মে) ভোররাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪-এর একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এর একটি দল তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। দুপুরের দিকে র্যাবের পক্ষ থেকে আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের পর যত দ্রুত সম্ভব তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
গ্রেফতারকৃত আমানউল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় ‘হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা’র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২ নভেম্বর মাদরাসা ছুটির পর ভুক্তভোগী শিশুটিকে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেয় আমানউল্লাহ। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে প্রথমবার ধর্ষণ করা হয়। এরপর আরও কয়েক দফা ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। বিষয়টি কাউকে জানালে শিশুটিসহ তার মা ও ভাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ওই শিক্ষক। সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ও অসুস্থতা দেখে মা তাকে গাইনি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে ধরা পড়ে, ১১ বছরের এই শিশুটি ২০ সপ্তাহের (৫ মাস) অন্তঃসত্ত্বা। এই ঘটনায় গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা করেন।
এফপি/অ