স্কুলভিত্তিক দুর্যোগ ঝুঁকি সচেতনতা, নিরাপদ পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) প্রকল্প বাস্তবায়ন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুড়িগ্রাম ইউনিটের উদ্যোগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শহরের দাদামোড় সংলগ্ন রেড ক্রিসেন্ট কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুড়িগ্রাম ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দুর্যোগ ও ঝুঁকি হ্রাস প্রকল্পের পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা আব্দুল মতিন সরকার।
অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আকবর আলী, প্রজেক্ট কর্মকর্তা শাকিল রহমান, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুড়িগ্রাম ইউনিটের সদস্য রফিকুল হায়দার ও আব্দুল আজিজ নাহিদ, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিত্যানন্দ বর্মন এবং রেড ক্রিসেন্ট কুড়িগ্রাম ইউনিটের লেভেল কর্মকর্তা এবিএম বায়োজিদসহ সংশ্লিষ্টরা।
সভায় প্রকল্প পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার ধরলা নদীর তীরবর্তী মোগলবাসা ইউনিয়নের নয়ারহাট উচ্চ বিদ্যালয়, বাঞ্ছারাম মন্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দারুল হেদায়েত দাখিল মাদ্রাসা, চর সিতাইঝার সুবহানিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও মাজাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পাঁচগাছি ইউনিয়নের পাঁচগাছি দাখিল মাদ্রাসা, পাঁচগাছি মন্ডলপাড়া কিসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও পাঁচগাছি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কুলভিত্তিক দুর্যোগ ঝুঁকি সচেতনতা, নিরাপদ পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যবিধি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি আরও জানান, সুইস রেড ক্রসের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা থেকে মোট ৪ হাজার ২০০ জন উপকৃত হবে বলে জানান তিনি।
এর মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ছাত্র, ২ হাজার ছাত্রী, ১৫০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ৫০ জন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য।
সভায় বক্তারা বলেন, দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভা শেষে প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠু ও সময় মতো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
এফপি/জেএস