| শিরোনাম: |

কুড়িগ্রামে স্বচ্ছ, অবাধ ও অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন নিশ্চিতকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রংপুর আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উদ্যোগে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, নির্বাচন কাজে নিয়োজিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা একই পরিবারভুক্ত। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও গণমাধ্যম সম্মিলিতভাবে বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। কোনো অপশক্তি এই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না” একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বিশৃঙ্খল করার উদ্দেশ্যে কেউ কেউ ফেক পেজ খুলে অপপ্রচার চালাতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার ইনজামামুল আলম, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরুজুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এস এম মুক্তারুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কুদরত-এ খোদা, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলমগীর, জেলা তথ্য কর্মকর্তা শাহজাহান আলী এবং রংপুর আঞ্চলিক তথ্য অফিসের তথ্য অফিসার ফরহাদ আহমেদ।
সভায় সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সাংবাদিকদের মধ্য থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাংবাদিক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, ইউনুছ আলী, অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, রেজাউল করিম রেজা, মাহফুজার রহমান খন্দকার, খন্দকার একরামুল হক সম্রাট, আরিফুল ইসলাম রিগান, মনোয়ার হোসেন লিটন, তামজীদ তুরাগ, সাইয়েদ আহমেদ বাবু, গোলাম মাওলা সিরাজ, জাহানুর রহমান খোকন, রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, সুজন মোহন্ত, আনোয়ার হোসেন, ফারাজী সহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
জেলার নির্বাচন প্রস্তুতির বিষয়ে জেলা প্রশাসক জানান, কুড়িগ্রামে মোট ৭০৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৮৬টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ৬টি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে প্রশাসন কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন আয়োজনে প্রশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল, বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী ভূমিকা অপরিহার্য এবং এই মতবিনিময় সভাটি পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এফপি/জেএস