প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম (ভিজিটর : ১০১)
সূর্যোদয়ের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার-ভিডিপি)।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাহিনীর সদর দপ্তরসহ দেশের সব রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
বাহিনীর সদর দপ্তর, রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের উপস্থিতিতে যথাযথ পতাকা বিধি অনুসরণ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাণী পাঠের মাধ্যমে দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রীয় অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে সিপাহি-জনতার বিপ্লব ও সংহতির মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্বে দেশে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, স্বাভাবিক রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পুনরুদ্ধার এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ধারায় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও চেতনা ধারণ করে আনসার-ভিডিপির সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ের সব কার্যালয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ, ঐক্য, সংহতি ও দেশসেবার অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাহিনীর সর্বস্তরের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণের প্রতিফলন ঘটেছে।