ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে খুলনা নগরীর সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের হোস্টেল প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)।
প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী তিন মাসের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে কেসিসি নগরীতে নিয়মিত এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শনিবার সকালে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু উপস্থিত থেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কারিগরি সহায়তায় সকালে এ অভিযান শুরু হয়। নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিরালা মোড়-সংলগ্ন এলাকায়ও অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় হোস্টেল-সংলগ্ন পুকুর থেকে কচুরিপানা অপসারণ, জমে থাকা পানি নিষ্কাশন, ড্রেন পরিষ্কার, বর্জ্য অপসারণ এবং মশার ওষুধ ছিটানো হয়।
হোস্টেল-সংলগ্ন পুকুর থেকে কচুরিপানা অপসারণ
মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের হোস্টেল-সংলগ্ন পুকুরের পানি ব্যবহার উপযোগী কি না, তা যাচাই করতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পানির মান পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর পুকুরে সাঁতারসহ বিভিন্ন শারীরিক কর্মকাণ্ডে নগরবাসীকে উদ্বুদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান কেসিসির প্রশাসক। এ সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম সরদার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হেলদি সিটি প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ আহমেদ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক তুষার কান্তি রায়, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপসহকারী প্রকৌশলী রনি জামিল চৌধুরী, হেলদি সিটি ফোরামের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাসুম বিল্লাহ, বিডি কিনের জেলা সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম এবং কিন আপ খুলনার পরিচালক মো. খলিলুর রহমান।
এ ছাড়া হেলদি সিটি ফোরামের সদস্য, বিডি কিনের প্রায় ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী, স্থানীয় বাসিন্দা, এলাকার নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পেশার মানুষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন।