Dhaka, Thursday | 17 September 2026
         
English Edition
   
Epaper | Thursday | 17 September 2026 | English
শিরোনাম:

বাগেরহাটে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাপত্র নিয়ে প্রশ্ন

উন্নত চিকিৎসার অভাবে শঙ্কায় সাড়ে তিন বছরের শিশুর পরিবার

প্রকাশ: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম  (ভিজিটর : ১৪)
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সাড়ে তিন বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ১৩ বছরের এক কিশোরের বিরুদ্ধে। কয়েক মাস আগে উপজেলার ঘোষগাতী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে বলে শিশুটির পরিবার দাবি করেছে। ঘটনার পর থেকে শিশুটি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছে বলে পরিবারের অভিযোগ। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার অভাবে শিশুটির শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বজনরা।

পরিবারের দাবি, কয়েক মাস আগে নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুটি তার দাদার ঘরে ছিল। এ সময় অভিযুক্ত কিশোর সেখানে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর কয়েকদিন শিশুটির রক্তপাত হয়। পরে রক্তপাত বন্ধ হলেও বমি ও অসুস্থতা বেড়ে গেলে তাকে গোপালগঞ্জে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নেওয়া হয়।

শিশুটির মা অভিযোগ করেন, চিকিৎসার সময় পাওয়া বিভিন্ন কাগজপত্র বর্তমানে অভিযুক্ত কিশোরের পরিবারের লোকজনের কাছে রয়েছে। এসব কাগজপত্র হাতে না থাকায় শিশুটির পরবর্তী চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়ায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

শিশুটির দাদি ও অভিযুক্ত কিশোরের নানি খাদিজা বলেন, চিকিৎসাপত্র তার ভাই নগরকান্দী গ্রামের গাউস শেখের কাছে রয়েছে। বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসার কথাও বলেন তিনি। তার ভাষ্য, শিশুটির বাবা টাকা চাইলে টাকা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, অন্যথায় শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

তবে চিকিৎসাপত্রের বিষয়ে গাউস শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে সেগুলো তার কাছে নেই বলে জানান। পরে তিনি বলেন, কাগজপত্র অভিযুক্ত কিশোরের দাদা মোস্তফা ফকিরের কাছে রয়েছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাটি আইনগতভাবে সামনে না আনতে চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র আত্মীয়স্বজনের কাছে রাখা হয়েছে। শিশুটির বাবা-মায়ের ওপর বিষয়টি মীমাংসার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শিশুটির বাবা ভ্যানচালক। পরিবারের সীমিত আয়ের কারণে শিশুটির উন্নত চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

শিশুটির চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযুক্ত কিশোরের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা, মা ও দাদাকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এফপি/র
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝