খুলনায় গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বক্তারা বলেছেন, এখনও পর্যন্ত গুমের শিকার হয়ে যারা ফিরে আসেননি অবিলম্বে তাদেরকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারকে পূণর্বাসন করতে হবে।
রোববার (৩০ আগস্ট) গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ খুলনা ইউনিট মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি পালন করে। বেলা ১১টায় খুলনা প্রেস ক্লাসের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
আর গুমের শিকার কেউ জীবিত না থাকলে সেটিও রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের পরিবারকে জানাতে হবে। এটি করতে ব্যর্থ হলে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদি শাসন ব্যবস্থা কায়েম হবে এবং গুমের সংস্কৃতি ফিরে আসবে।
এছাড়া প্রস্তাবিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২'র ১৪ (৩) ও ২১ ধারা সংশোধন করে বিতর্কহীন একটি সুন্দর আইন প্রণয়ন ও তা জাতীয় সংসদে পাশ করতে হবে।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব ও অধিকার কর্তৃক প্রস্তুতকৃত দিবসের বিবৃতি পড়ে শোনান ‘অধিকার’ খুলনা ইউনিটের ফোকালপার্সন সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, মোংলায় কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে মিরাজ শেখ নামে একজন জেলে ও মোটরসাইকেল রাইডারকে গুমের অভিযোগ উঠেছে। অবিলম্বে সরকারকে এ ঘটনার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক দোষিদের আইনের আওতায় আনতে হবে এবং মিরাজকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।
মানববন্ধনকালীন সমাবেশে বক্তৃতা করেন- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহকারী মহাসচিব ও আমার দেশ-এর খুলনা ব্যুরো প্রধান এহতেশামুল হক শাওন, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি ও মানবজমিনের ব্যুরো প্রধান মো. রাশিদুল ইসলাম, সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এসকে তাসাদুজ্জামান, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব আল-আমিন, খুলনা থানায় পুলিশের নির্যাতনের শিকার এসএম মাহমুদুল হক টিটো প্রমুখ।
এফপি/অ