Dhaka, Wednesday | 19 August 2026
         
English Edition
   
Epaper | Wednesday | 19 August 2026 | English
শিরোনাম:

পর্নোগ্রাফি তৈরিতে বাবা-প্রেমিকের সহায়তা, অবশেষে ডিবির জালে সুমাইয়া

প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৫ পিএম  (ভিজিটর : ১১৭)

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদ (২৫) এবং তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। একই ঘটনায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মেয়ের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও ওই আয়ের অংশ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।

ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল রাজধানীর বসুন্ধরা ও বাড্ডা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির প্রচারণা নজরে আসে। পরে বিষয়টি তদন্ত করে পুলিশ।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করা হতো। নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজও দেওয়া হতো। এর মধ্যে ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’-এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৫০০ টাকা।

ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান শনাক্ত করার পর গত ১১ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করে ডিবি। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক হিসেবে পরিচিত খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার কয়েকজন সহযোগী সংঘবদ্ধভাবে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদ মেয়ের এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন। পুলিশ বলছে, তিনি মেয়েকে বাধা না দিয়ে ওই আয়ের একটি অংশ গ্রহণ করতেন। এ অভিযোগে তাকেও সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা করা হয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

এফপি/র

সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝