আগামী নির্বাচনে যে ব্যক্তি নিজ এলাকায় কাজ করবেন এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন, তাকেই কাউন্সিলর পদে সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডিএনসিসির অঞ্চল-১ এর আওতাধীন উত্তরা এলাকায় স্থানীয় সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শুধু পদ-পদবি দেখে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন অনুমোদন দেবেন না। পদ-পদবি থাকলেই কাউন্সিলর হওয়া যায় না। জনগণের কাছাকাছি যেতে হবে এবং জনগণের জন্য কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনগণের সরকার। তাই জনগণের সেবা করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। এলাকায় অনেক সমস্যা রয়েছে, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সেসব সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।
প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনগণ ক্ষমতায় বসিয়েছেন। তিনি সর্বদা জনগণের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন এবং আমরা তাঁর অনুসারী হিসেবে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাব।
পানির সংকট প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঢাকার কয়েকটি এলাকায় পানির সমস্যা চরম আকার ধারণ করেছিল। ওয়াসার সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে পানির পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।
মশার উপদ্রব সম্পর্কে প্রশাসক বলেন, বর্তমানে মশার উপদ্রব অনেকটাই কমে এসেছে। খাল পরিষ্কারের মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। জনগণের সহযোগিতায় খাল পুনরুদ্ধার করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে ডেঙ্গুমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।
হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী হকারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নির্ধারিত স্থানে না বসে তারা আবার ফুটপাতে ফিরে আসছেন। হকার ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া তিনি এলাকার রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ, সড়কবাতির সমস্যা সমাধানে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন। ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স কমানোর আবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, ট্যাক্স যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণের চেষ্টা করা হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের এগিয়ে এসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
এফপি/র