Dhaka, Thursday | 30 July 2026
         
English Edition
   
Epaper | Thursday | 30 July 2026 | English
শিরোনাম:

কক্সবাজারে মা-মেয়েকে হত্যার ৬ বছর পর আসামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম আপডেট: ৩০.০৭.২০২৬ ৮:৫০ পিএম  (ভিজিটর : ১৯)

কক্সবাজারে ভিটার সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যায় অভিযুক্ত তিন আসামির একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-৫-এর বিচারক আবুল মনছুর ছিদ্দিকী এই রায় দেন। মামলার অপর দু’নারী আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারি নুরুল আবছার।  

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আবুল কালাম (৪০) ঈদগাঁও উপজেলা ইসলামাবাদ ইউনিয়নের চরপাড়ার মৃত জাফর আলমের ছেলে ও পেশায় টমটম চালক ছিলেন। হত্যার প্রায় ছয় বছর অপেক্ষা শেষে স্ত্রী ও মেয়ে হত্যার বিচার পেয়ে আদালত প্রাঙ্গণে কান্নায় ভেঙে পড়েন মামলার বাদী আজিজুল হক। সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে সাজ্জাদও।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঈদগাঁওর ইসলামাবাদ উত্তর লরাবাগ চরপাড়ার টম টম চালক আবুল কালাম ও তার চাচা আজিজুল হক বাবুর্চির পরিবারে বাড়ির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে বিবাদমান দু'পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আবুল কালাম ধারালো দা দিয়ে আজিজুল হকের স্ত্রী রাশেদা বেগম (৩২)কে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকেন। মাকে বাঁচাতে স্কুল পড়ুয়া মেয়ে ও তার মেয়ে জন্নাতুল ফেরদৌস (১৩) এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। জন্নাতু ইসলামাবাদ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

মা-মেয়ের শোরচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ঘাতক কালাম পালিয়ে যায়। পরে আহতদের  উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মা-মেয়েকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় কালামসহ কয়েকজনকে আসামি করে ঈদগাঁও থানায় জোড়া হত্যার মামলা করেন নিহতদের স্বামী ও বাবা আজিজুল হক বাবুর্চি।

কালাম পালিয়ে গা ঢাকা দেয়। হত্যার ১৩ দিনের মাথায় ১ ফেব্রুয়ারী ভোরে ঢাকার ডেমরায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

পুলিশের তদন্তে কালামসহ দু’নারী মিলিয়ে তিনজনের নামে অভিযোগ পত্র দেয়া হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে প্রমাণ সাপেক্ষে মূল অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে অপর দু'অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ না মেলায় খালাস দেয়া হয়েছে।

রায়ের বিষয়ে মামলার বাদি আজিজুল হক বলেন, প্রায় ছয় বছর অপেক্ষা করেছি ন্যায্য বিচারের। আদালত আমাদের সেই বিচার দিয়েছেন। স্ত্রী আর মেয়েকে তো ফিরে পাবো না, তাদের আত্মার শান্তির লক্ষ্যে রায়টি দ্রুত কার্যকর আশা করছি।

এফপি/ফ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝