Dhaka, Friday | 10 July 2026
         
English Edition
   
Epaper | Friday | 10 July 2026 | English
কত দিন থাকবে এই বৃষ্টিপাত, জানাল আবহাওয়া অফিস
আজ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, জানা যাবে দুইভাবে
ঢাকাসহ ২০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী নেদারল্যান্ড
শিরোনাম:

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে পাবনায় পাটের আবাদ, ভালো ফলনে লাভের আশা

প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৬ পিএম  (ভিজিটর : ২২)

ভালো বাজারদর, তুলনামূলক কম উৎপাদন ব্যয় এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে পাবনায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হলেও জেলার বিলাঞ্চলে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় পাট জাগ দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২ হাজার হেক্টর। তবে গত মৌসুমে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা ৪২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছেন। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বিঘাপ্রতি গড়ে ১০ মণ বা তার বেশি আঁশ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

চলনবিল অধ্যুষিত চাটমোহর, সুজানগর, সাঁথিয়া, ভাঙ্গুড়া ও সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ বিলাঞ্চলে এবার ব্যাপক পরিসরে পাটের আবাদ হয়েছে। এছাড়া বেড়া, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও ফরিদপুর উপজেলার নদীতীরবর্তী পলিবাহিত জমিতেও পাট চাষ বেড়েছে।

কৃষকদের ভাষ্য, নিজস্ব জমিতে বিঘাপ্রতি পাট উৎপাদনে ১৭ থেকে ১৯ হাজার টাকা এবং লিজ নেওয়া জমিতে ২২ থেকে ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় উৎপাদন খরচ মিটিয়ে লাভের আশা করছেন তারা।

তবে মধ্য আষাঢ় থেকে পাট কাটা শুরু হলেও গাজনার বিলসহ বিভিন্ন জলাশয়ে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় জাগ দিতে সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে পাট কাটা ও ধোয়ার শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সাঁথিয়া উপজেলার হুইখালী গ্রামের কৃষক গোলাম মোস্তফা বলেন, “এবার চার বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। প্রতি বিঘায় ১০ মণের বেশি আঁশ পাওয়ার আশা করছি।”

সুজানগরের গাজনার বিল এলাকার কৃষক লোকমান হোসেন বলেন, “ফলন ভালো হয়েছে। শ্রমিকের মজুরি বেশি হলেও বাজারদর ভালো থাকায় লাভের আশা করছি।”

সাঁথিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, বীজ, সার, সেচ, পরিচর্যা, কর্তন, জাগ দেওয়া ও ধোয়াসহ বিঘাপ্রতি মোট উৎপাদন ব্যয় ২০ থেকে ২১ হাজার টাকা হতে পারে। তবে বর্তমান ফলন ও বাজারদর বিবেচনায় কৃষক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রামাণিক বলেন, গত বছরের ভালো দামের প্রভাবেই এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। ফলন ও বাজারদর দুটিই সন্তোষজনক থাকায় কৃষক ভালো লাভ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এফপি/র
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝