Dhaka, Monday | 1 June 2026
         
English Edition
   
Epaper | Monday | 1 June 2026 | English
তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, খোলা করমজল পর্যটনকেন্দ্র
ঈদের ছুটি শেষে আজ খুলছে অফিস-আদালত
দেশে ফিরেছেন ৬১৭৫ হাজি
ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ও ব্যাংক
শিরোনাম:

তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশ: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১১:১৬ এএম  (ভিজিটর : ৩২)

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় হালিমা আক্তার (১৯) নামে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনার রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার চার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মুন্সীগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

হত্যাকাণ্ডের শিকার হালিমা আক্তার (১৯) গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদী এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), আলামিন প্রধান (৫০) ও রাসেল মিয়া (৪৪)।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান জানান, গত ২৯ মে গজারিয়ার ফুলদী নদী থেকে এক অজ্ঞাতনামা তরুণীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ। পিবিআইয়ের ক্রাইমসিন টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে। এ ঘটনায় নিহতের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় হত্যা মামলা করলে পিবিআই স্বপ্রণোদিত হয়ে ছায়া তদন্ত করে।

আছমা আরা জাহান আরো জানান, নিহত হালিমার কাছে আবু কালামের ২৫ হাজার ও রাসেলের ১০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এ ছাড়া আসামি জামালের সঙ্গে হালিমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। এই সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিকভাবে মানহানি হতে পারে-এমন আশঙ্কা থেকে ঘটনার ১৫ দিন আগে আসামিরা হালিমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৬ মে সন্ধ্যার পর হালিমাকে কৌশলে বড় ভাটেরচর এলাকার নদীর পাড়ে ডেকে নেওয়া হয়। পরে নৌকায় করে নদীর ওপারে একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে আসামিরা তাঁকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এরপর হালিমার পরিধেয় পোশাক গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাঁরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই'র এ কর্মকর্তা।

এফপি/অ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝