কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পিরোজপুরের নেছারাবাদে নির্ধারিত পাঁচটি পশুর হাটের মধ্যে চারটির ইজারা মওকুফ করে দিয়েছেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন-গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। এ সিদ্ধান্তে খুশি হয়েছেন হাটের ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
রোববার (২৪ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত।
উপজেলার নির্ধারিত পাঁচটি পশুর হাট হলো, স্বরূপকাঠি সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ, শেহাংগল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ, সুটিয়াকাঠি ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ, চানমিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ এবং উত্তর-পশ্চিম সোহাগদল বিদ্যালয় মাঠ। এর মধ্যে পূর্বেই ইজারা সম্পন্ন হওয়ায় শুধুমাত্র স্বরূপকাঠি সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ ছাড়া বাকি চারটি হাটের সম্পূর্ণ ইজারা মওকুফ করা হয়েছে। পশুর হাটে খাজনা মওকুফের এ সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।
উত্তর-পশ্চিম সোহাগদল পশুর হাটে আসা গরু ক্রেতা মোঃ আব্দুস সত্তার বলেন, “আগে গরু কিনতে এসে অতিরিক্ত খাজনার যন্ত্রণায় পড়তে হতো। এবার খাজনা মওকুফ হওয়ায় অনেক সুবিধা হবে। এজন্য প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ।”
একইভাবে সুটিয়াকাঠি ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে গরু বিক্রেতা মো. ইব্রাহিম মিয়া বলেন, “আমি প্রতি বছর কোটালিপাড়া থেকে গরু নিয়ে আসি। অতিরিক্ত খাজনার কারণে অনেক ক্রেতা হাটে আসতে চাইত না। এবার আশা করছি হাট আরও জমজমাট হবে।”
গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব (এপিএস) মো. হুমায়ুন রশিদ জানান, মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়েই প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে চারটি পশুর হাটের ইজারা মওকুফ করা হয়েছে। পূর্বে ইজারা হয়ে যাওয়ায় স্বরূপকাঠি সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠটি মওকুফের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে পশুর হাটগুলো আরও জমজমাট হবে এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বস্তিতে বেচাকেনা করতে পারবেন।
অন্যদিকে নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, উপজেলা প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি পশুর হাটে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে বেচাকেনা সম্পন্ন হয়।
এফপি/জেএস