Dhaka, Wednesday | 29 April 2026
         
English Edition
   
Epaper | Wednesday | 29 April 2026 | English
আরও ৫ দিন থাকতে পারে বৃষ্টি
বৃষ্টির দিনেই কেন খিচুড়ি খেতে ইচ্ছে করে?
রাজধানীতে সকাল থেকে বৃষ্টি
রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ
শিরোনাম:

মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া

প্রকাশ: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম  (ভিজিটর : ৪৯)

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও বৈশাখের মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মোংলা সমুদ্র বন্দরসহ সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। গত দুদিন ধরে চলা বিরতিহীন মাঝারি ও ভারী বর্ষণে উপকূলীয় জনপদে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বৃষ্টির সাথে দমকা হাওয়ায় উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর ও পশুর নদী, যার ফলে ব্যাহত হচ্ছে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও টানা বৃষ্টির কারণে বন্দরের হাড়বাড়িয়া ও ফেয়ারওয়ে এলাকায় অবস্থানরত বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে পণ্য খালাস ও পরিবহনের কাজ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে বিশেষ করে সার, কয়লা ও সিমেন্ট ক্লিংকারবাহী জাহাজের কাজ ব্যাহত হচ্ছে, সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে সার ও খাদ্যবাহী জাহাজের কাজ। পণ্য ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেক ক্ষেত্রে কার্গো বা লাইটার জাহাজে পণ্য লোডিং-আনলোডিং কার্যক্রম থমকে যাচ্ছে।

সুন্দরবন সংলগ্ন দুবলার চরের আশপাশ, কানাইনগর ও জয়মনি এলাকার জেলেরা জানিয়েছেন, সাগর উত্তাল থাকায় এবং ভারী বৃষ্টির কারণে তারা নদীতে জাল ফেলতে পারছেন না। বনের ওপর নির্ভরশীল গোলপাতা আহরণকারী বাওয়ালি ও মৌয়ালদের কাজও স্থবির হয়ে পড়েছে। এদিকে টানা বৃষ্টিতে মোংলা পৌর শহরের নিম্নাঞ্চলগুলোতে কিছুটা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত হওয়ায় রাস্তাঘাটে পানি জমে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ কাজের সন্ধানে বের হতে না পেরে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপকূলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীঢ সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সাগর উত্তল, তাই বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে উপকূলের চিংড়ি ঘেরগুলো তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন মৎস্য চাষিরা। এছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন বেড়িবাঁধগুলোর স্থায়িত্ব নিয়েও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পশুর নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন এবং যেকোনো জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

এফপি/জেএস
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝