Dhaka, Wednesday | 29 April 2026
         
English Edition
   
Epaper | Wednesday | 29 April 2026 | English
আরও ৫ দিন থাকতে পারে বৃষ্টি
বৃষ্টির দিনেই কেন খিচুড়ি খেতে ইচ্ছে করে?
রাজধানীতে সকাল থেকে বৃষ্টি
রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ
শিরোনাম:

সরাইল-শাহজাদাপুর সড়ক প্রকল্প মাঝপথে বন্ধ, জনদুর্ভোগ চরমে

প্রকাশ: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম  (ভিজিটর : ৬৩)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার মলাইশ থেকে শাহজাদাপুর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির নির্মাণ কাজ দীর্ঘ এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রায় ৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্পের কাজ মাঝপথে ফেলে ঠিকাদার সব যন্ত্রপাতি সরিয়ে নেওয়ায় ওই এলাকার অন্তত ৩০ হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মলাইশ থেকে খওয়ালিয়ার পাড় পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ মিটার সড়ক নির্মাণের প্রকল্প শুরু হলেও বর্তমানে তা এলাকাবাসীর জন্য বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের ইটের সুরকি (ম্যাকডাম) যানবাহনের চাপে গুঁড়ো হয়ে ধুলোয় পরিণত হচ্ছে। এই ধুলোবালি বাতাসে উড়ে পুরো এলাকায় অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশের সৃষ্টি করছে, যার ফলে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়ছে।

জানা যায়, ২০২৪ সালে 'মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ' নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে সড়কে ইটের সুরকি বসানোর কাজ শেষ করে। এরপর থেকে দীর্ঘ এক বছর কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ। স্থানীয় এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই এই কাজের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ঠিকাদার কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই আংশিক বিল উত্তোলন করেছেন এবং সব নির্মাণ সরঞ্জাম সরিয়ে নিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আল মামুন খান ও ইউপি সদস্য মো. জুয়েল বলেন, “বর্ষা মৌসুম আসার আগে যদি এই রাস্তার ঢালাই বা কার্পেটিং শেষ না হয়, তবে এই ইটের খোয়া সব উঠে গিয়ে রাস্তাটি চলাচলের একদম অযোগ্য হয়ে পড়বে।” যাতায়াতের একমাত্র এই সড়কটি নিয়ে ৩০ হাজার মানুষের লালিত স্বপ্ন এখন ভেঙে যাওয়ার পথে।

এই বিষয়ে ঠিকাদার খায়রুল হাসানের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

সরাইল উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম মৃধা বলেন, “কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে বারবার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আংশিক বিল তুলে নিলেও কাজ বাকি রেখেছেন। দ্রুত কাজ শেষ না হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে কাজ পুনরায় শুরু করে আসন্ন বর্ষার আগেই সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা হোক।

এফপি/এমআই
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝