Dhaka, Tuesday | 21 April 2026
         
English Edition
   
Epaper | Tuesday | 21 April 2026 | English
শেষ ওয়ানডেতে ডাক পেলেন তানজিম সাকিব
তীব্র গরমের দাপটে অতিষ্ঠ জনজীবন
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ
বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
শিরোনাম:

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর প্রতি অবিচার, পরীক্ষায় নেই বাড়তি সুযোগ

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম  (ভিজিটর : ৮)

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় বাড়তি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও এবারে তা মানা হয়নি শাহ্ বাজার এ এইচ ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে (৩৮০) এর ১নং হলের এক শিক্ষার্থী যাহার রোল নম্বর ৪২২৬৩৬। এমনই এক অভিযোগ উঠেছে এক দাখিল পরীক্ষার্থীকে ঘিরে।

(২১ এপ্রিল) মঙ্গলবার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ভাঙ্গামোড় দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মৃধা ফারজানা মিতু। দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও এবারে দ্বিতীয়বারের মতো দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় সে। তবে অভিযোগ উঠেছে প্রাপ্যতা অনুযায়ী পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় বা বিশেষ সহায়তা কিছুই পাননি তিনি। পরীক্ষার  হলে গিয়ে দেখা গেছে, চোখের দৃষ্টি কম হওয়ায় আস্তে আস্তে পরীক্ষার খাতায় লিখছে মিতু। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের সাথে পরীক্ষা দিচ্ছে সে।

পরীক্ষার্থী মিতু জানান, আমি একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, ইতিমধ্যে আমি সরকারি ভাতা পাই, এর আগেও দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছি, প্রতিবন্ধী হলেও সে সময় আমি কোন সুযোগ সুবিধা পাইনি, যার ফলে তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছি। এবার সেই তিন বিষয়ে পরীক্ষা দিচ্ছি সকালে আবেদন করেছি, তারপরও আমি কোন সুযোগ সুবিধা পাইনি। চোখে কম দেখতে পাওয়ায় অমি দ্রুত লিখতে পারিনা। প্রতিবন্ধী হিসেবে বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী আমাকে অতিরিক্ত সময় দেয়া হলে আমি ভালভাবে পরীক্ষা দিতে পারবো। আগেরবার যদি সুযোগ সুবিধা পেতাম তাহলে আমি ফেল করতাম না। আমি চাই আমাকে সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হোক।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনা শুধু মিতুর জন্য নয়, বরং সব প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্যই অন্যায়।

জ্যোষ্ঠ শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন, “পরীক্ষা কেন্দ্রে  একজন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বাড়তি সুবিধা পাওয়ার দাবিদার। আবেদনের পরেও যদি তিনি এই সুবিধা পেয়ে না থাকেন তবে তার অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। ও তো স্বাভাবিকভাবে লিখতে পারে না, একটু সময় বেশি পেলে ভালো করতে পারতো। কিন্তু কেউ বিষয়টা গুরুত্ব দেয়নি।”

দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইসমাইল হোসেন জানান, এর আগে মিতুর পরিবার থেকে আবেদনের কথা বলা হয়নি তাই আবেদন করা হয়নি, আজকে কেন্দ্র সচিবের কাছে আবেদন জমা দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্র সচিব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, ওই প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী মিতুর পক্ষ থেকে আবেদন পাওয়া গেলে, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফুলবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম জানান, বৃষ্টি প্রতিবন্ধী এই পরীক্ষার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী  অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা আকতারের মুঠোফোনে দীর্ঘ সময় ধরে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তার নম্বরটি ব্যস্ত পাওয়া যায়।

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সুবিধা নিশ্চিত করা না হলে তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে, যেন ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

এফপি/জেএস
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝