হযরত শাহ্ আব্দুল মালেক (রাহঃ) একাডেমীর উদ্যোগে চার দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
গত ১৪ই এপ্রিল, পহেলা বৈশাখ - সমাপনী দিনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক আশরাফুর রহমান রুমেল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. মোবারক আলী।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল ফাহিম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব সরওয়ার উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ভুট্টো, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল কাকন, হারবাং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান, উত্তর হারবাং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল্লাহ নুরু, বিদ্যালয়ের সদস্য ও সাংবাদিক আ ন ম সানাউল্লাহ, কাজী মাস্টার মোহাম্মদ শুয়াইব, আসাদ উদ্দিন মোহাম্মদ সাজ্জাদ, চকরিয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ জাকরিয়া, ছাত্রদলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম বাপ্পি এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আফজালুর রহমান (শওকত মিঞা)-কে, যার উদ্যোগে এ অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ে। তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে প্রধান পৃষ্ঠপোষক আশরাফুর রহমান রুমেলের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, দক্ষ নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে প্রতিষ্ঠানটি আজ একটি সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য, যেখানে পাঠ্য শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, চার দিনব্যাপী এই আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
এফপি/অ