Dhaka, Friday | 1 May 2026
         
English Edition
   
Epaper | Friday | 1 May 2026 | English
ড. ইউনূসের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত, মার্কিনিদের মন জয়ে শ্রমিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করে প্রজ্ঞাপন
৪৮ ঘণ্টার ভেতর পুরো দেশে তাণ্ডব চালাবে কালবৈশাখী
বেড়েছে নারীর প্রতি সহিংসতা, এপ্রিলেই মব হামলায় নিহত ২১
বিশ্বকাপ না খেলা ‘বড় ভুল’ ছিল বাংলাদেশের
শিরোনাম:

খালাকে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম ভাগ্নের

প্রকাশ: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১১ এএম  (ভিজিটর : ৫৯)

প্রবাস থেকে দেশে ফেরার পর সম্প্রতি অনেক টাকা ঋণ হয়ে নিজের খালার কাছে ধার চান ভাগ্নে মো. আলমগীর হোসেন (৪১)। কিন্তু খালা জামেলা বেগম (৬৫) টাকা ধার দিতে রাজি না হলে তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম করে রাখেন তিনি। গ্রেপ্তারের পর এমন তথ্যই পুলিশকে দিয়েছেন আলমগীর।

নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের রাধানগর পূর্বপাড়া গ্রামে ঘটে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর এই হত্যাকাণ্ড একাই ঘটান বলে স্বীকার করেছেন। আলমগীর পার্শ্ববর্তী চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক এলাকার সালাম শেখের ছেলে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে নগরকান্দা থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান।

এর আগে গত শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে নগরকান্দার রাধানগর পূর্বপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে জামেলার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত জামেলা বেগম রাধানগর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত জমির ভুইয়ার স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানান, নিহত জামেলা সদরপুর উপজেলার গাজিরডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা শেখ মোতালেবের বড় বোন। তার স্বামী অনেক আগে মারা গেছেন। তিনি দুই মেয়ে সন্তানের জননী।

মেয়েদের বিয়ের পর জামেলা নগরকান্দার রাধানগর পূর্বপাড়া গ্রামে স্বামীর বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।

গত ২৮ মার্চ রাতের কোনো একসময়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার লাশ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। পরদিন নিহতের ভাই শেখ মোতালেব বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে চরভদ্রাসনের গাজীরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আলমগীর নিহত জামেলার আপন ভাগ্নে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর তার আপন খালা জামেলাকে হত্যার পুরো বর্ণনা দেন।

পুলিশের এএসপি আরো জানান, আলমগীর দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর দেশে ফিরে আর্থিক সংকটে পড়েন। অনেক টাকা ঋণ হয়ে যান। এমন অবস্থায় আলমগীর তার খালা জামেলার কাছে টাকা ধার চায়। কিন্তু খালা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার প্রতি ক্ষোভ জন্ম নেয়। এরপর জামেলার জমি বিক্রির কিছু টাকা স্থানীয় একটি এনজিওতে এফডিআর হিসেবে জমা ছিল, যা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি।

ঘটনার দিন রাত ৮টার দিকে খালার বাড়িতে গিয়ে তার কাছে ফের টাকা ধার চান। এতে খালা রাজি না হলে রাতে ঘুমানোর পর আলমগীর তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে তার লাশ গোপন করতে বাড়ির পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসূল সামদানী আজাদ ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এফপি/অ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝