২০০৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল হিন্দি ছবি ‘পরিণীতা’। এই ছবি দিয়েই বলিউডে পা রাখেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। কিন্তু চমকপ্রদ তথ্য হল ‘পরিণীতা’র নায়িকা চরিত্রে প্রযোজকের প্রথম পছন্দ ছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। কেন বদল হল নায়িকা? কীভাবে ঐশ্বরিয়ার জায়গায় চলে এক নবাগতা মেয়ে বিদ্যা?
প্রযোজক বিধুবিনোদ চোপড়া চেয়েছিলেন নায়িকা হতে হবে বড় নাম। কারণ নামভূমিকায় তিনিই থাকবেন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নায়িকা ললিতা, যার প্রেমে পড়ে দুই নায়ক শেখর আর গিরিশ। ললিতার প্রেমের বিরহ মধুর কাহিনি নিয়েই গল্প।
সিনেমা করার সময় বিধুবিনোদ চোপড়ার ললিতা রূপে প্রথমেই মনে আসে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের নাম। ঠিক তার আগেই ঐশ্বরিয়া করেছেন শরৎচন্দ্রের কাহিনি অবলম্বনে সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘দেবদাস’। পার্বতী চরিত্রে ঐশ্বরিয়া ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘চোখের বালি’ বাংলা ছবিতে বিনোদিনীর চরিত্রেও বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন ঐশ্বরিয়া। তাই, তাকে ছাড়া আর কে বা হতে পারে ‘পরিণীতা’?
কিন্তু ছবির পরিচালক ছিলেন বাঙালি প্রদীপ সরকার। তিনিই বিধুবিনোদকে বিদ্যার ছবি দেখিয়ে বলেন এই মেয়ের মুখে অপাপবিদ্ধ ব্যাপার আছে যা ললিতার চরিত্রে পারফেক্ট। তবু বিদ্যাকে মনে ধরে না বিধুবিনোদের। তার মনে হয়েছিল সাইফ আলি আলি খান আর সঞ্জয় দত্তের বিপরীতে একজন নতুন মেয়ে কীভাবে বক্সঅফিসে হিট করতে পারে? এই রোলের জন্য নাকি ৭৪ বার অডিশন দেন বিদ্যা। শেষে ৭৫ বারে নির্বাচিত হন তিনি। আর তারপর তো ইতিহাস।
এর আগে গৌতম হালদারের ‘ভাল থেকো’ বাংলা ছবি করেছিলেন বিদ্যা। কিন্তু বলিউডে তার শুরু ‘পরিণীতা’ দিয়েই। ‘পিয়া বোলে’ সুরে সবার মনে জায়গা করে নেন তিনি।
এফপি/জেএস