তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটার শাখা নদী মাহরাম নদীর উৎস মুখ থেকে অবৈধভাবে মাল উত্তোলন করে বিক্রি করার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই যুবক আটক।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে তাহিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শারুখ আলম শান্তনু ও তাহিরপুর থানা ওসি আমিনুল ইসলামসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে মাহরাম নদীর উৎস মুখ উত্তর বদল ইউনিয়নের ডিপচর নামক স্থান থেকে ওই দুই যুবককে আটক করেন।
পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শারুখ আলম শান্তনু বিকালে আটককৃত দুই যুবককে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১ মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এর সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শারুখ আলম শান্তনু বলেন, জনস্বার্থে পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দিনে রাতে দীর্ঘদিন ধরেই মাহরাম নদীর উৎস মুখ ডিপচর নামক এলাকা থেকে অবৈধভাবে কোয়ারী করে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে। পুরানঘাট ডিপচর গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪২), তার ভাই আফিকুল (২৮), একই গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে মুনছুর আলাম (৩৫), জজ মিয়ার ছেলে রতন মিয়া (২৬), তার ভাই ইসাক মিয়া (২৪), আব্দুল বারিকের ছেলে হাক মিয়া (৫০), মাহরাম গ্রামের কিতাব আলীর ছেলে আশিক নুর (৩৮), পুরাঘাট ফকির পাড়া গ্রামের ফরিদ মিয়া (৩০), মানিগাঁও উত্তর পাড়া গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে নজির হোসেন (২৮), গুটিলা শাহির উদ্দিনের ছেলে সজাফর আলী (৫৫), একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের ছেলে হানিফ মিয়া (২৮) সহ প্রায় ১৫ জনের একটি বালু খেকো সিন্ডিকেট চক্র।
এই চক্রটি গুটিলা ইউনিয়ন পরিষদের পিচনে মাহরাম নদীর ডিপচড় এলাকা থেকে দীর্ঘ ২ মাস ধরে রাতের আধাঁরে পিকআপ ভ্যানে এবং দিনে অটোরিকশা বুঝাই করে অবৈধভাবে হাজার হাজার ঘনফুট বালু বিক্রি করে।
এফপি/জেএস