শেরপুর-৩ আসনের (ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী) নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার পূর্ব মুহূর্তে জামায়াত কর্মীদের ওপর বিএনপি নেতাকর্মীদের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে ও মাওলানা রেজাউল করিম হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উত্তাল শেরপুর।
(৩০ জানুয়ারি) শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা শহরে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিশাল এই বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের কলেজ মোড় থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউমার্কেট ও বটতলা হয়ে ডিসি গেটের সামনে গিয়ে এক বিশাল সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিলে জামায়াত ও শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের শরিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, শেরপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। তিনি বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতভাবে জামায়াত কর্মীদের ওপর যে হামলা চালানো হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেরপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল, জেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারি, শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি, জেলা এনসিপির আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন প্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করেন বক্তারা অভিযোগ করেন যে, হামলা চলাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।
বিক্ষোভ সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের স্থানীয় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। হামলার ঘটনায় জোটের পক্ষ থেকেও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
এফপি/জেএস